নমস্কার দর্শক বন্ধুরা আপনাদের স্বাগত জানাই আজ হাজির হয়েছি একদম অনুষ্ঠান বাড়ি স্টাইলে দুর্দান্ত স্বাদের এচর চিংড়ির রেসিপি নিয়ে এচর চিংড়ি তো আপনারা বারবার বানিয়ে খেয়েছেন|
একবার আমার মত একটি বিশেষ মসলায় এই রান্নাটি করে দেখুন স্বাদে গন্ধে বর্ণে একেবারে অতুলনীয় হয় আশা করছি আপনাদের ভীষণ ভালো লাগবে আমার চ্যানেল এখনো না সাবস্ক্রাইব করা থাকলে চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করার অনুরোধ রইল হাতে সরষের তেল মেখে|
এচরকে এভাবে ডুমো ডুমো করে কেটে হলুদ জলে রেখেছি এতে করে এচরে কালো দাগ ধরে যায় না এবার জল থেকে তুলে নিয়ে তারপর আমি এখানে পরিমাণমত লবণ আর অল্প হলুদ দিয়ে এচরকে একটু সেদ্ধ করে নেব এচরটাকে আধা সেদ্ধ করে নেব এচর সেদ্ধ হতে থাক সেই সময়ে আমি এখানে নিয়ে নিয়েছি প্রায় 400 গ্রামের মত চিংড়ি মাছ চিংড়ি মাছের পিঠের দিকের কালো সুতোর মত অংশকে বের করে নিয়েছি চিংড়ি মাছ ধুয়ে জল ঝরানো ছিল এখন লবণ হলুদ ভালো করে মেখে নিয়ে |
চিংড়ি মাছকে ম্যারিনেট হতে দেব মোটামুটি আট দশ মিনিটের জন্য সেই সময় আমি এখানে পেঁয়াজ কেটে নিচ্ছি আমি ছোট ছোট পেঁয়াজ কেটে নিচ্ছি বড় সাইজের পেঁয়াজ মোটামুটি তিনটের মতো দিতে হবে খুব মিহি করে পেঁয়াজগুলো কুচিয়ে নিলাম এদিকে দেখুন এচরটা সেদ্ধ হচ্ছে আরো একটু বাকি আছে সেদ্ধ হতে পাশের বার্নারে আমি এখানে একটি কড়াই চাপিয়ে তেল গরম করে নিলাম এখানে আমি ডুমো করে কাটা আলুতে লবণ হলুদ মাখানো ছিল সেই আলু এখানে ছেড়ে দিচ্ছি ভেজে নেয়ার জন্য আলুকে একটু সময় নিয়ে বেশ লালচে রং ধরিয়ে ভালো করে ভাজা ভাজা করে নিয়ে তুলে নিচ্ছি আলু তেল তুলে নেয়া হলে দেখুন এচরটাও সেদ্ধ হলে একটি ঝুঁড়িতে ঢেলে দিয়েছি দেখতেই পাচ্ছেন সেদ্ধ হবে কিন্তু একেবারে নরম হবে না ঠিক এরকম সেদ্ধ করে তারপর এটাকেও অল্প লবণ দিয়ে তেলে ভালো করে লালচে রং ধরিয়ে ভেজে নিচ্ছি এভাবে |
আলু আর এচরকে ভালো করে ভেজে নিয়ে রান্না করলে স্বাদটা অনেক বেশি ভালো হয় সমস্ত এচর তুলে নিয়ে ওই তেলের মধ্যে এখন লবণ হলুদ মাখানো চিংড়ি মাছগুলো ছেড়ে দিচ্ছি ভেজে নেয়ার জন্য চিংড়ি মাছকে কিন্তু খুব বেশি সময় ধরে ভাজা করবো না তাতে করে চিংড়ি মাছ শক্ত হয়ে গিয়ে একেবারে রাবারি হয়ে যায় চিংড়ি মাছকে হালকা ভেজে নিতে হবে নিয়ে চিংড়ি মাছের এরকম সুন্দর রং ধরলে এখন আমি চিংড়ি মাছগুলো তুলে নিচ্ছি চিংড়ি মাছ তুলে নেয়ার পর কড়াইটাকে একটুখানি পরিষ্কার করে নিলাম আর তারপর কড়াইতে দিয়ে দিচ্ছি বেশ কিছুটা সরষের তেল একটু বেশি পরিমাণে সরষের তেল দিয়েছি এখানে দিলাম ছোট চামচ এক চামচ চিনি চিনিটা ক্যারামেল হতে থাক এদিকে আমি দারচিনি এলাচ লবঙ্গ ছোট এলাচ শুকনো লাল লঙ্কা আর গোটা জিরে দিয়েছি ফোরন ভালো করে ভাজা হলে আর চিনি একেবারে সুন্দর লালচে রং ধরে গেলে বা ক্যারামেল হয়ে গেলে এখানে আমি কুচিয়ে রাখা পেঁয়াজ যোগ করে দিচ্ছি এই চিনি দেয়ার কারণে কিন্তু রান্নাটা একেবারেই মিষ্টি |
হয়ে যাবে না এর জন্য চিনিটা ক্যারামেল হয়ে গিয়ে রান্নাতে একটা সুন্দর রং দিয়ে দেবে আর তাছাড়াও একটা সুন্দর ফ্লেভারও হবে খুব ভালো করে পেঁয়াজকে এখানে একেবারে লালচে রং ধরিয়ে ভেজে নেব আর তারপর পেঁয়াজের সুন্দর লালচে রং ধরলে এখানে আমি যোগ করে দিচ্ছি প্রায় দু চামচ আদা রসুন আর কাঁচা লঙ্কা বাটা খুব ভালো করে এখন কষিয়ে নেব যাতে করে আদা রসুনের কাঁচা গন্ধটা চলে যায় আর তারপর এখানে দিয়ে দিচ্ছি এক টেবিল চামচ কাশ্মীরি লাল লঙ্কার গুঁড়ো আর অল্প পরিমাণ হলুদের গুঁড়ো তেলের মধ্যে এরকম কাশ্মীরি লাল লঙ্কার হলুদ গুঁড়ো দিয়ে কষালে রান্নার রংটা খুব সুন্দর হয় দেখতেই পাচ্ছেন খুব সুন্দর একটা রং হয়েছে এই পর্যায়ে এখানে আমি যোগ করে দিলাম টমেটো বাটা দুটি বড় সাইজের টমেটোকে বেটে আমি যোগ করেছি টমেটোটা দিয়ে |
একটু ভালো করে নাড়াচাড়া করে নিয়ে এখানে আমি এবার গুঁড়ো মসলা মিশিয়ে দেব তবে এখানে আমি মাত্র হাফ চামচ মতো দিয়েছি ধনে গুঁড়ো অল্প একটু দিয়েছি জিরে গুঁড়ো যেহেতু আমি একটি স্পেশাল মসলা এখানে ব্যবহার করব পরিমাণমত লবণ দিয়ে এবার খুব ভালো করে আবারো কষাতে থাকবো যতক্ষণ না টমেটোর এক্সট্রা জলীয় ভাবটা শুকিয়ে গিয়ে তেল একদম ভালো করে ছেড়ে বেরিয়ে আসছে এই পর্যায়ে ঢাকা দিয়ে মিনিট দুয়েক লো ফ্লেমে রেখে দিয়েছিলাম ঢাকনা খুলে দিয়েছি দেখতেই পাচ্ছেন খুব সুন্দরভাবে তেলটা একেবারে ছেড়ে বেরিয়ে এসেছে মসলাকে যত ভালো করে কষানো হবে রান্নার স্বাদ কিন্তু ততটাই ভালো হবে দেখুন এরকম তেল ছেড়ে ছেড়ে বেরিয়ে এলে এখন আমি অল্প অল্প গরম জল দিয়ে যোগ করে করে মসলাকে আরো একটু সময় নিয়ে কষিয়ে নেব মসলা কষাতে কষাতে আপনাদের দেখিয়ে দিই আগে থেকে এর জন্য আমি কি মসলা রেডি করে রেখেছি এই মসলার কারণেই কিন্তু রান্নার স্বাদ কয়েক গুণ বেড়ে যাবে আর ফ্লেভারটা দুর্দান্ত হবে এখানে আমি নিয়েছি গোটা ধনে গোটা জিরে অল্প পরিমাণ মৌড়ি গোটা গোলমরিচ সঙ্গে নিয়েছি দারচিনি ছোট এলাচ লবঙ্গ দুটি তেজপাতা দুটি শুকনো লাল লঙ্কা এই সমস্ত মসলাকে আমি ড্রাই রোস্ট করে নেব তবে মসলাকে এমন ভাবে ড্রাই রোস্ট করতে হবে যাতে করে মসলা থেকে হালকা সুন্দর গন্ধ বের হবে কিন্তু মসলাগুলো কোনভাবেই যাতে না পুড়ে যায় মসলা গেলে কিন্তু মসলার সুন্দর ফ্লেভার নষ্ট হয়ে যাবে দেখুন মসলা মোটামুটি এক থেকে দেড় মিনিট আমি নাড়াচাড়া করার পর মসলা থেকে হালকা হালকা গন্ধ বেরোতে শুরু করেছে এবার ফ্লেম অফ করে মসলাটাকে একটুখানি জড়িয়ে নেব আর তারপর গ্রাইন্ডিং জারে নিয়ে এর পাউডার বানিয়ে নিয়েছি তো এই মসলায় কিন্তু আমি এই রান্নায় ব্যবহার করব দুবার একবার দেখুন এখন ব্যবহার করছি এক চামচের একটু বেশি পরিমাণ পরে আবার কিন্তু মসলাটা ব্যবহার করব ভাজা মসলাটা দেয়ার পর কিন্তু আরো একটু সময় নিয়ে মসলাটাকে আমাদের কষিয়ে নিতে হবে তবে মসলা শুকিয়ে শুকিয়ে এলে অল্প অল্প গরম জল যোগ করে করে একটু সময় নিয়ে বেশ তেল ছেড়ে যাওয়া পর্যন্ত মসলা কষিয়ে নিয়ে তারপর এখানে ভেজে রাখা এচড় আর আলু যোগ করে দিলাম এখন এচর আর আলুকে মসলার সঙ্গে ভালো করে কষিয়ে নেব মোটামুটি চার থেকে পাঁচ মিনিট সময় নিয়ে মিডিয়াম লো ফ্লেমে রেখে ভালো করে কষিয়ে নিচ্ছি যাতে মসলার সুন্দর ফ্লেভার এচর আর আলুর সঙ্গে ভালো করে মিশে যেতে পারে দেখুন কষাতে কষাতে রংটাও সুন্দর ঘন ধরে গেছে আর তেলটাও সুন্দর ছেড়ে গেছে এই পর্যায়ে আমি একেবারেই ফুটন্ত গরম জল এখানে যোগ করে দিলাম ফুটন্ত গরম জলেই কিন্তু দিতে হবে ঠান্ডা জল কখনোই দেবেন না তাতে করে রান্নার স্বাদটা খুব সুন্দর হয় তারপর |
এখানে আমি ভেজে রাখা চিংড়ি মাছগুলো যোগ করে দিয়েছি দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নেব রান্না করার সময় এই ছোট ছোট টিপস গুলো অবশ্যই ফলো করবেন তাতে করে রান্নাটা কিন্তু দারুণ টেস্টি তৈরি হবে এবার আমি চেখে নিয়ে অল্প পরিমাণ একটু লবণ যোগ করে দিলাম দিলাম কয়েকটা চেরা কাঁচা লঙ্কা আর যে ভাজা মসলাটা আমি আগেও ব্যবহার করেছি তার এক চামচ এখনো দিলাম এবার দিয়ে দিলাম এক চামচ ঘি দিয়ে ভালো করে নাড়াচাড়া করে নেব এবার কিন্তু আমি রান্নাটাকে ঢেকে করবো ঢাকা দিয়ে রান্নাটা ভালো করে ফুটতে শুরু করলে তারপর ঢাকা দিয়ে মিডিয়াম লো ফ্লেমে রেখে মোটামুটি মিনিট পাঁচেক রান্নাটা করে নেব তাতে করে আলু এচর যেমন সুদ্ধ হয়ে যাবে আর রান্নাটাও কিন্তু সুন্দর হয়ে যাবে পাঁচ মিনিট পর ফ্লেম অফ করে ঢাকা দেয়া অবস্থায় আরো পাঁচ মিনিটের জন্য দিয়ে নিয়েছিলাম স্ট্যান্ডিং টাইম আমাদের এচর চিংড়ি একদম রেডি দেখতেই পাচ্ছেন কতটা লোভনীয় দেখতে হয়েছে খেতেও কিন্তু দুর্দান্ত হয় আশা করছি আমার আজকের এই রেসিপি আপনাদের ভালো লেগেছে ভালো লাগলে লাইক শেয়ার ও কমেন্ট করার অনুরোধ রইল আজকের মত এই পর্যন্তই থ্যাংকস ফর ওয়াচিং|
যদি আপনি **কাঁঠাল দিয়ে চিংড়ি মাছের ঝোল** (সম্ভবত “চুমরি” বলতে চিংড়ি বোঝাতে চেয়েছেন) কেন বানানো উচিত জানতে চান, তাহলে কয়েকটি কারণ হলো:
1. স্বাদে অনন্য– কাঁচা কাঁঠালের নরম আঁশযুক্ত গঠন ও চিংড়ির স্বাদ একসঙ্গে খুব ভালো লাগে।
2. পুষ্টিকর খাবার – কাঁঠালে আঁশ, ভিটামিন ও খনিজ থাকে, আর চিংড়িতে প্রোটিনের ভালো উৎস পাওয়া যায়।
3. বাড়ির ফলের সঠিক ব্যবহার – নিজের গাছের কাঁঠাল ব্যবহার করলে তাজা উপাদান দিয়ে রান্না করা যায় এবং অপচয় কমে।
4. ঐতিহ্যবাহী রান্না – গ্রামবাংলায় কাঁচা কাঁঠাল দিয়ে বিভিন্ন ধরনের ঝোল ও তরকারি জনপ্রিয়।
5. পরিবারের জন্য উপযোগী – ভাতের সঙ্গে এই ঝোল সহজে পরিবেশন করা যায় এবং অনেকেরই পছন্দের খাবার।
সংক্ষিপ্ত রেসিপি
* কাঁচা কাঁঠাল টুকরো করে সেদ্ধ করে নিন।
* চিংড়ি মাছ হালকা ভেজে তুলে রাখুন।
* পেঁয়াজ, আদা, রসুন, হলুদ, মরিচ ও জিরা দিয়ে মসলা কষান।
* কাঁঠাল ও চিংড়ি যোগ করে পানি দিন।
* ১০–১৫ মিনিট রান্না করে ধনেপাতা ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।
এতে কাঁঠালের মিষ্টি স্বাদ ও চিংড়ির সুগন্ধ মিলে একটি সুস্বাদু ঝোল তৈরি হয়।
কাঁঠাল ও চিংড়ি মাছের ঝোল কেন বানানো উচিত? – FAQ
১. কাঁঠাল ও চিংড়ি মাছের ঝোলের স্বাদ কেমন?
কাঁচা কাঁঠালের নরম আঁশযুক্ত গঠন এবং চিংড়ি মাছের সুগন্ধ একসঙ্গে মিশে একটি সুস্বাদু ও মুখরোচক ঝোল তৈরি করে।
২. কাঁচা কাঁঠাল ব্যবহার করা হয় কেন?
কাঁচা কাঁঠাল রান্নার সময় মসলার স্বাদ ভালোভাবে শোষণ করে এবং মাংসের মতো একটি সুন্দর টেক্সচার দেয়।
৩. এই খাবার কি পুষ্টিকর?
হ্যাঁ। কাঁঠালে খাদ্যআঁশ, ভিটামিন ও খনিজ রয়েছে, আর চিংড়ি মাছে প্রোটিন ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়।
৪. বাড়ির গাছের কাঁঠাল ব্যবহার করার সুবিধা কী?
নিজের গাছের তাজা কাঁঠাল ব্যবহার করলে খাবারের স্বাদ ভালো হয়, খরচ কমে এবং ফলের অপচয় হয় না।
৫. কোন ধরনের চিংড়ি ব্যবহার করা ভালো?
মাঝারি বা বড় আকারের চিংড়ি সাধারণত এই ঝোলের জন্য ভালো হয়। তবে ছোট চিংড়ি দিয়েও সুস্বাদু রান্না করা যায়।
৬. কাঁঠাল আগে সেদ্ধ করতে হবে কি?
হ্যাঁ, সাধারণত কাঁচা কাঁঠাল হালকা সেদ্ধ করে নিলে রান্না দ্রুত হয় এবং মসলা ভালোভাবে মিশে যায়।
৭. এই ঝোলের সঙ্গে কী খাওয়া সবচেয়ে ভালো?
গরম ভাতের সঙ্গে কাঁঠাল ও চিংড়ির ঝোল সবচেয়ে বেশি উপভোগ করা হয়।
৮. এই রান্না কি বিশেষ কোনো উপলক্ষে করা যায়?
হ্যাঁ। পারিবারিক আয়োজন, অতিথি আপ্যায়ন বা মৌসুমি কাঁঠালের সময় এটি একটি জনপ্রিয় পদ হতে পারে।
৯. ঝোল বেশি সুস্বাদু করার উপায় কী?
তাজা চিংড়ি, কচি কাঁঠাল এবং পরিমিত মসলা ব্যবহার করলে ঝোলের স্বাদ আরও বাড়ে।
১০. কাঁঠাল ও চিংড়ির ঝোল কি সংরক্ষণ করা যায়?
হ্যাঁ, রান্নার পর ঠান্ডা করে ফ্রিজে ১–২ দিন সংরক্ষণ করা যায়। খাওয়ার আগে ভালোভাবে গরম করে নিতে হবে।
বাড়িতে কাঁঠালের গাছ না থাকলে কোথা থেকে কাঁঠাল নেওয়া উচিত? –
১. কাঁঠাল কোথা থেকে কেনা সবচেয়ে ভালো?
স্থানীয় কাঁচাবাজার, ফলের বাজার বা কৃষকের বাজার থেকে তাজা কাঁঠাল কেনা সবচেয়ে ভালো।
২. কাঁচা কাঁঠাল কোথায় পাওয়া যায়?
বেশিরভাগ সবজির বাজারে মৌসুমের সময় কাঁচা কাঁঠাল পাওয়া যায়। অনেক সুপারশপেও এটি বিক্রি হয়।
৩. কৃষকের কাছ থেকে কাঁঠাল কেনার সুবিধা কী?
কৃষকের কাছ থেকে কিনলে সাধারণত তাজা কাঁঠাল পাওয়া যায় এবং দামও তুলনামূলক কম হতে পারে।
৪. কাঁঠাল কেনার সময় কী দেখে কিনতে হবে?
* কাঁঠাল টাটকা কি না
* কোনো পচা বা কালো দাগ আছে কি না
* কাঁচা রান্নার জন্য হলে বেশি পাকা নয় কি না
৫. অনলাইনে কাঁঠাল কেনা যায় কি?
হ্যাঁ, অনেক অনলাইন গ্রোসারি ও ফলের দোকান মৌসুমে কাঁঠাল সরবরাহ করে।
৬. কাঁচা নাকি পাকা কাঁঠাল নেওয়া উচিত?
চিংড়ি বা ঝোল রান্নার জন্য সাধারণত **কাঁচা কাঁঠাল** নেওয়া উচিত। পাকা কাঁঠাল সাধারণত ফল হিসেবে খাওয়া হয়।
৭. কাঁঠালের মৌসুম কখন?
বাংলাদেশ ও ভারতের অধিকাংশ অঞ্চলে সাধারণত গ্রীষ্মকাল থেকে বর্ষাকাল পর্যন্ত কাঁঠালের মৌসুম থাকে।
৮. কাঁঠাল না পেলে বিকল্প কী ব্যবহার করা যায়?
কাঁচা কলা, এঁচোড় (কাঁচা কাঁঠাল প্রস্তুত করা অবস্থায়), বা কিছু ক্ষেত্রে আলু ও সয়াবিন দিয়ে অনুরূপ ধরনের ঝোল রান্না করা যায়।
৯. বাজার থেকে আনা কাঁঠাল কীভাবে পরিষ্কার করতে হবে?
কেটে নেওয়ার আগে হাতে ও ছুরিতে সামান্য তেল মেখে নিতে হবে, তারপর পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে রান্নার জন্য প্রস্তুত করতে হবে।
১০. ভালো মানের কাঁঠাল কেন গুরুত্বপূর্ণ?
ভালো মানের কাঁঠাল ব্যবহার করলে রান্নার স্বাদ, গন্ধ এবং গুণগত মান অনেক ভালো হয়।



0 মন্তব্যসমূহ